দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মধ্যরাতে ঢাকা-টঙ্গী মহাসড়কে দুই তরুণের মাঝে একটি মোটরসাইকেলে অচেতন এক তরুণীকে বহনের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তরুণীকে জীবিত নাকি মৃত অবস্থায় নেওয়া হচ্ছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। বিষয়টি নজরে আসার পর মোটরসাইকেলের নম্বর ধরে সংশ্লিষ্টদের পরিচয় শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভোরে মাদরাসাতুল মাদীনা-বগুড়ার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি মনোয়ার হোসেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিগুলো পোস্ট করেন। তিনি জানান, উমরার সফর শেষে বগুড়া ফেরার পথে গাড়ি থেকে দৃশ্যটি দেখেন এবং ছবি তোলেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এটা কি লাশ নিয়ে যাচ্ছে? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কেউ থাকলে বিষয়টি দ্রুত অ্যাকশন নেন। ৩টা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের দিকে আমি টঙ্গী পর্যন্ত সর্বশেষ দেখেছি। রাত তিনটা। উত্তরার আব্দুল্লাহপুর পার হয়ে টঙ্গী পর্যন্ত একটি মোটরসাইকেল ফলো করলাম। একজন যুবক ড্রাইভ করছেন। মাঝখানে একজন তরুণী। তার পা খালি ছিল এবং নিচের দিকে ঝুলছিল।’
তিনি লেখেন, ‘জাগ্রত বা জীবিত মানুষের এমনভাবে পা ঝোলার কথা নয়। পেছন থেকে আরেকজন যুবক প্রাণান্তকর চেষ্টা করে তাকে জাপটে ধরে রেখেছেন। নয়তো তিনি নিশ্চিত পড়ে যেতেন। প্রাইভেটকারের ভেতর থেকে দেখে আমার খুব সন্দেহ হলো। খুব কাছ থেকে ছবি তুললাম। দেখলাম, মেয়েটি হয় অজ্ঞান, অথবা মৃত দেখে এমনটাই মনে হয়েছে। ৯৯৯-এ কল দিলাম, কিন্তু যোগাযোগ করতে পারিনি। টঙ্গী পর্যন্ত এভাবেই আমরা দেখেছি। জানি না, প্রকৃত বিষয়টা কী। ছবিগুলো শেয়ার করে রাখলাম। যদি এমন কিছু হয়ে থাকে, তাহলে এদের ক্লু পাওয়া যাবে।’
তার পোস্টে রাকিব হোসেন নামে একজন মন্তব্য করেন, ভোর ৩টার দিকে উত্তরা ফ্লাইওভারে তিনিও ওই তরুণদের দেখেছেন। প্রথম দেখায় তারও মনে হয়েছিল, কোনো মরদেহ হয়তো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এসব মন্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম শফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নজরে আসায় তদন্ত করা হচ্ছে। মোটরসাইকেলের নম্বর দেখে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে জানানো হবে।
/অ